-->
পাবনায় নৌপুলিশের অভিযানে ২১ বালু উত্তোলনকারী গ্রেফতার, বিপুল সরঞ্জাম জব্দ |

পাবনায় নৌপুলিশের অভিযানে ২১ বালু উত্তোলনকারী গ্রেফতার, বিপুল সরঞ্জাম জব্দ |

21 sand miners arrested in Pabna

পাবনায় নৌপুলিশের অভিযানে ২১ বালু উত্তোলনকারী গ্রেফতার, বিপুল সরঞ্জাম জব্দ


পাবনার নাজিরগঞ্জ বালি মহলে নৌ পুলিশের অভিযানে ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযানে ৫টি ড্রেজার, ৪টি বালকেট জব্দসহ বিপুল সরঞ্জাম জব্দ করা হযেছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে নাজিরগঞ্জ এলাকায় তারা এই অভিযান পরিচালনা করেন। পরে নৌ-পুলিশ সুজানগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
টাঙ্গাইল নৌপুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (পাবনার দায়িত্বপ্রাপ্ত) বেলায়েত হোসেন বলেন, দীঘদিন ধরে পাবনার নাজিরগঞ্জ এলাকার পদ্মা নদীতে একটি চক্র বালু উত্তোলন ও বালু ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে
এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৫টি ড্রেজার, ৪টি বালকেট জব্দসহ ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে। নৌ পুলিশ নগরবাড়ি ঘাট তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মইদুল ইসলাম বাদী হয়ে সুজানগর থানায় একটি মামলা
তিনি আরো জানান, নদীতে বালু উত্তোলনের ফলে পদ্মা নদী পাড়ে চলতি বষা মৌসুমে ব্যাপক ভ্গান শুরু হয়েছে। ওই এলাকার শত শত ঘর বাড়িসহ হাজার হাজার বিঘা ফসলী জমি ইতিমধ্যেই নদীতে
চলে গেছে। এরই প্রতিবাদ করায় ওই বালু সিন্ডিকেটের লোকজন তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পরে তাদের একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। তারা গত দেড় মাস ধরে
জেলে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম হারুন মেম্বারও রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন হারুন মেম্বরের ভাই শাহিন।
গ্রামবাসী আরো অভিযোগ করেন, গত দুই বছর ধরে নাজিরগঞ্জ, চরতারাপুরসহ পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে বালু উত্তোলন ও ব্যবসা করে আসছেন। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই নেমে আসে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন।
অসহায় গ্রামবাসী পরে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না বলেও জানান তিনি।
মামলার বাদী নৌ পুলিশ নগরবাড়ি ঘাট তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মইদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা শেষে সুজানগর থানায় নিয়মতান্ত্রিক ভাবে মামলা দায়ের করেছি। তদন্ত করে দেখা
হবে কারা এই বালি মহালের সাথে জড়িত রয়েছেন। খতিয়ে দেখে তাদেরও সনাক্ত করা হবে বলেও জানান।


ads

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

admob ads